ইরানের সঙ্গে পুনরায় যুদ্ধ শুরু হলে হিজবুল্লাহ যাতে নতুন কোনো ফ্রন্ট খুলতে না পারে, সেজন্য আমেরিকান মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে লেবানন সরকারকে পদক্ষেপ নিতে বলেছে ইসরায়েল; কানের বরাতে ৩ নভেম্বর এ তথ্য জানিয়েছে i24NEWS। জেরুজালেমের দাবির মধ্যে রয়েছে লেবাননের সেনাবাহিনীর পুনর্মোতায়েন এবং হিজবুল্লাহ সদস্যদের বসবাসস্থল এলাকাগুলোতে ব্যারিকেড ও চেকপোস্ট স্থাপন।
"ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে হিজবুল্লাহ যাতে নতুন ফ্রন্ট খুলতে না পারে, সেজন্য সম্প্রতি আমেরিকান মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে লেবানন সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেছে ইসরায়েল।"
হিজবুল্লাহ অধ্যুষিত এলাকায় ব্যারিকেড
এক ইসরায়েলি নিরাপত্তা সূত্র কান-কে জানিয়েছে, বিশেষ করে তেহরানের চাপে পড়ে ইরানের সঙ্গে নতুন কোনো সংঘাতে হিজবুল্লাহর যেকোনো ধরনের সম্পৃক্ততা লেবাননে আবারও লড়াই ডেকে আনবে বলে বৈরুতকে সতর্ক করেছে ইসরায়েল। i24NEWS উল্লেখ করেছে যে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনা হওয়া সত্ত্বেও এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। উল্লেখিত পদক্ষেপগুলো বাস্তবভিত্তিক: মাটিতে লেবাননের সেনা উপস্থিতি, হিজবুল্লাহ অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ব্যারিকেড এবং ইরান ও ইসরায়েল পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে জড়ালে গোষ্ঠীটির সদস্যদের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা।
হিজবুল্লাহ হলো লেবাননে ইরানের প্রক্সি বাহিনী। পুনরায় শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধ হিজবুল্লাহকে টেনে আনলে তা ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে দ্বিতীয় ফ্রন্টে রূপ নেবে। ইসরায়েলের এই দাবি কেবল আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে, যেখানে হিজবুল্লাহর অবস্থান ঠিক সেখানেই তাদের বিরুদ্ধে লেবানন সেনাবাহিনীকে কাজে লাগানোর দায় বৈরুতের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে। রাস্তাগুলো দখল করে রাখা এই মিলিশিয়া বাহিনীকে লেবানন রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম কি না, তা যাচাইয়ের এক কঠিন পরীক্ষা এই ব্যারিকেড স্থাপন।
i24NEWS-এ প্রকাশিত কানের প্রতিবেদনে অনুরোধ এবং সতর্কবার্তা উভয়ই স্পষ্ট: মাধ্যম হিসেবে মার্কিন মধ্যস্থতাকারী, পন্থা হিসেবে লেবাননের সেনা পুনর্মোতায়েন ও ব্যারিকেড, আর হিজবুল্লাহ ইরানের সাথে যোগ দিলে পরিণতি হিসেবে লেবাননে পুনরায় লড়াই শুরু হওয়া। ৩ নভেম্বরের প্রতিবেদনে এমনই বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে।