কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প
এসব ঘটনার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি দ্বীপটিতে "সীমিত হামলা" চালিয়েছে; The Jerusalem Post-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পুরো এলাকা জুড়ে বিস্ফোরণ এবং আকাশে যুদ্ধবিমানের তৎপরতার প্রাথমিক তথ্যের পর এই বিবৃতি এলো।
ইরানি বার্তা সংস্থাগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তথ্য
The Times of Israel-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালীতে অবস্থিত একটি দ্বীপে শনিবার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। The Times of Israel আরও জানায়, ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে শনিবার হরমুজ প্রণালীর দ্বীপে বিস্ফোরণ ঘটার কথা বলা হয়। বিশেষভাবে, ইরানের সরকারি ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি (ইরনা) জানায় যে শনিবার ইরানের কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
এর আগে ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম বার্তা সংস্থা জানিয়েছিল যে দ্বীপটিতে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। The Jerusalem Post-এর তথ্যমতে, তাসনিম উল্লেখ করেছে যে প্রাথমিক বিবরণ অনুযায়ী দুটি ক্ষেপণাস্ত্র কেশম দ্বীপে আঘাত হেনেছে। বার্তা সংস্থাটি জানায় যে এগুলো ছিল দ্বীপটিতে হামলার বিবরণ সম্বলিত প্রাথমিক প্রতিবেদন।
অনিশ্চিত ক্ষয়ক্ষতি ও চলমান পরিস্থিতি
ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রাথমিক প্রতিবেদনে তাসনিম উল্লেখ করেছে যে আঘাতের ফলে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।
তাসনিম আরও দাবি করেছে যে ঘটনার পর সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও ইরনা শনিবার কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, পাশাপাশি তাসনিম ক্ষয়ক্ষতির সরকারি তথ্য ছাড়াই ক্ষেপণাস্ত্রের প্রাথমিক আঘাতের কথা জানিয়েছে; অন্যদিকে আকাশে যুদ্ধবিমান ও বিস্ফোরণের খবরের পর মার্কিন বিবৃতিতে এ পদক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্রের "সীমিত হামলা" বলে উল্লেখ করা হয়েছে।