২৯ অক্টোবর প্রকাশিত গার্ডিয়ানের পর্যালোচনায় মিশিগানের মার্কিন সিনেট নির্বাচনে বারবার করা একটি দাবি খতিয়ে দেখা হয়: প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদ প্রকাশ্যে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থন করেছিলেন। পত্রিকাটি জানায়, অভিযোগের কেন্দ্রে থাকা ২০১২ সালের খোলা চিঠিতে মিশরে গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের আহ্বান জানানো হয়েছিল এবং ব্রাদারহুডের উল্লেখ ছিল না।
গার্ডিয়ানের মতে, রাজনৈতিক কর্মী লরা লুমার ২০১৮ সালে প্রথম এ দাবি তোলেন। রিপাবলিকান সিনেট প্রার্থী মাইক রজার্স পরে এল-সায়েদ সংগঠনটিকে সমর্থনের অঙ্গীকার করেছিলেন বলে একই দাবি করেন। গার্ডিয়ান চিঠির পাঠ পর্যালোচনা করে জানায়, এতে মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে বিপ্লবের গণতান্ত্রিক লক্ষ্য রক্ষার আহ্বান জানানো হয়েছিল। মুরসি আগে ব্রাদারহুডের সদস্য ছিলেন, কিন্তু গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে সমর্থন করা নিজে থেকেই আন্দোলনটিকে সমর্থন করার অর্থ নয়।
মূল নথিতে কী দেখা যায়
মিশরীয় সাংবাদিক হোসাম এল-হামালাওয়ি গার্ডিয়ানকে বলেন, চিঠিতে ব্রাদারহুডের কোনো উল্লেখ নেই। গার্ডিয়ান আরও জানায়, মিশরের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদপত্রের শিরোনামে স্বাক্ষরকারীদের মুরসির সমর্থক বলা হয়েছিল, যদিও স্বাক্ষরকারীরা নিজেরা এমন পরিচয় দেননি। এই পার্থক্যগুলো মূল নথি ও পরবর্তী বর্ণনাকে আলাদা করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এল-সায়েদের সৎবোন ২০১২ সালে পরিবারের সদস্যদের অতীতে ব্রাদারহুডে যুক্ত থাকার কথা পোস্ট করেছিলেন। গার্ডিয়ান জানায়, বাবার কাছে বড় হওয়া এল-সায়েদ বলেছেন, এই আন্দোলনের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো আত্মীয়ের বক্তব্য এল-সায়েদের সাংগঠনিক সদস্যপদ প্রমাণ করে না।
নির্দিষ্ট শাখাভিত্তিক তালিকাভুক্তি
ওই পদক্ষেপগুলো নামোল্লেখ করা শাখাগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য; সম্পর্কের অভিযোগে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির ক্ষেত্রে তা সাধারণীকরণ করা উচিত নয়।
অক্টোবরের নথিভুক্ত ঘটনা ছিল নির্বাচনী দাবি নিয়ে গার্ডিয়ানের পর্যালোচনা, ব্রাদারহুডের নতুন কোনো পদক্ষেপ নয়। প্রতিবেদনে চিঠি নিয়ে দাবিটিকে ভুল বলা হয় এবং জানানো হয়, এল-সায়েদ সংগঠনটিকে সমর্থন করেছিলেন—চিঠিতে এমন কোনো প্রমাণ নেই। নথির ইতিহাস ও উদ্ধৃত প্রমাণের জন্য গার্ডিয়ানের পর্যালোচনা দেখুন।