২৩ অক্টোবর হেবরনের বাইরে ইয়েহুদা জংশনের কাছে সামরিক অবস্থানে দুই ফিলিস্তিনি বন্দুকধারী দুই ইসরায়েলি সেনাকে হত্যা ও তিনজনকে আহত করে। Associated Press জানায়, তারা M16 রাইফেল ও পিস্তল ব্যবহার করে এবং প্রায় ২০ মিনিটের বন্দুকযুদ্ধের পর নিহত হয়।
কোনো প্রতিবেদন দায় স্বীকার করা সংগঠনের নাম দেয়নি। বৃহত্তর নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্র নিয়ে সামরিক তদন্ত চলছিল।
হামলার পর হেবরন এলাকায় ইসরায়েলি অভিযান এবং জুডিয়া ও সামারিয়াজুড়ে নিরাপত্তা তৎপরতা চলে। IDF জানায়, সেনারা বাড়ি তল্লাশি করে, অস্ত্র ও বিস্ফোরক খুঁজে পায় এবং প্রায় ৪০ সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে; তাদের মধ্যে হামাস ও ইসলামিক জিহাদের সঙ্গে যুক্ত বলে বর্ণিত ব্যক্তিরাও ছিলেন। সামরিক বাহিনী প্রায় ৪০টি এলাকা ও ৪০০টি স্থানে অভিযান চালানোর কথা বলে।
কোনো প্রতিবেদন দায় স্বীকার করা সংগঠনের নাম দেয়নি। বৃহত্তর নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্র নিয়ে সামরিক তদন্ত চলছিল।
IDF জানায়, দুই বন্দুকধারী একাই কাজ করেছিল নাকি বৃহত্তর সশস্ত্র নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ছিল, তদন্তকারীরা তা দেখছেন। প্রকাশ্য প্রতিবেদনে প্রশ্নটি অমীমাংসিত ছিল। AP বলে, গুলির আগে সামরিক বাহিনী নির্দিষ্ট সতর্কতা ঘোষণা করেনি, যদিও নিরাপত্তা বাহিনী হামলাকারীদের গাড়িতে গুলি পেয়েছিল।
কোনো প্রতিবেদন দায় স্বীকার করা সংগঠনের নাম দেয়নি। বৃহত্তর নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্র নিয়ে সামরিক তদন্ত চলছিল।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা হামলাকে বেসামরিক লোকদের ওপর চেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেন, যা চৌকিতে থামানো হয়। AP জানায়, বন্দুকধারীরা বেসামরিক লোকদের কাছে পৌঁছানোর আগেই নিহত হয়। IDF বলে, পরবর্তী তল্লাশিতে রাইফেল, সাবমেশিনগান ও চারটি বিস্ফোরকসহ কয়েক ডজন অস্ত্র পাওয়া যায়। এগুলো সরকারি দাবি; প্রতিবেদনে অস্ত্রের স্বাধীন মূল্যায়ন বা পরবর্তী আদালত-প্রক্রিয়ার বিবরণ ছিল না।
কোনো প্রতিবেদন দায় স্বীকার করা সংগঠনের নাম দেয়নি। বৃহত্তর নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্র নিয়ে সামরিক তদন্ত চলছিল।
সামরিক বাহিনীর মতে, গুলির ঘটনার পর হেবরন বন্ধ ও অবরুদ্ধ করা হয়; তল্লাশির পর বাসিন্দারা নির্ধারিত পথ দিয়ে বের হতে পারেন। তদন্তকারীরা সম্ভাব্য যোগসূত্র খুঁজলে অভিযান ঘটনাস্থলের বাইরে ছড়ায়। জুডিয়া ও সামারিয়ায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রেক্ষাপটে ঘটনাটি গুরুত্বপূর্ণ, তবে প্রতিবেদনে হামলাকারীদের সংগঠনগত পরিচয় প্রকাশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
কোনো প্রতিবেদন দায় স্বীকার করা সংগঠনের নাম দেয়নি। বৃহত্তর নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্র নিয়ে সামরিক তদন্ত চলছিল।