ইহুদিয়া ও সামারিয়া সিচুয়েশন রুমের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ হেবরন পাহাড়ের ইসরায়েলি সম্প্রদায় কারমেলের কাছে একটি ঘটনার পর ইসরায়েলি পুলিশ বিদেশি কর্মী আন্দ্রেই খ্রজানভস্কি ও জ্যাসপার নাথানিয়েলকে গ্রেপ্তার করে। পোস্টে বলা হয়, আগের দিন এক ইহুদি বাসিন্দা হামলার শিকার হয়ে আহত হন এবং দুই কর্মীকেই ৬০ দিনের জন্য ইহুদিয়া ও সামারিয়ায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, ফুটেজে দুই ইসরায়েলি বাসিন্দাকে কর্মীদের ওপর হামলা করতে দেখা যায়; তাঁদের অন্তত একজনের কাছে অস্ত্র ছিল। বিবরণগুলো ঘটনাটিকে তীব্রভাবে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে এবং কে কাকে আক্রমণ করেছিল বা সংঘর্ষ কীভাবে শুরু হয়েছিল তা মীমাংসা করে না।
পরস্পরবিরোধী বিবরণ
সিচুয়েশন রুম বলেছে, কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে উসকানি ও সংঘর্ষে অংশ নিয়ে আসছিলেন এবং জলপাই সংগ্রহের মৌসুমে তাঁদের তৎপরতা বেড়েছিল। টাইমস অব ইসরায়েল তাঁদের ফিলিস্তিনিদের সহায়তাকারী সাংবাদিক ও কর্মী হিসেবে বর্ণনা করে এবং জানায়, ফুটেজে তাঁদের মারধর করতে দেখা যায়। দাবিগুলো সংশ্লিষ্ট সূত্রের নামে আরোপিত থাকা উচিত; সরবরাহ করা তথ্যে সম্পূর্ণ ভিডিও বা পুলিশের অনুসন্ধান নেই।
“ফিলিস্তিনিদের সহায়তাকারী সাংবাদিক ও কর্মী জ্যাসপার নাথানিয়েল ও আন্দ্রেই খারজানভস্কিকে বুধবার রাতে দক্ষিণ হেবরন পাহাড়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করে; ফুটেজে অন্তত একজন সশস্ত্র দুই সেটলারকে তাঁদের আক্রমণ করতে দেখা যায়।” টাইমস অব ইসরায়েল
অমিলটিই এখানে কেন্দ্রীয়। সিচুয়েশন রুমের পোস্ট গ্রেপ্তারকে এক ইহুদি বাসিন্দার ওপর হামলার সঙ্গে যুক্ত করে; টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন বলে, ভিডিওতে কর্মীদের ওপর হামলা দেখা যায়। কোনো উদ্ধৃতাংশেই ঘটনার ক্রম ব্যাখ্যা করা হয়নি, বাসিন্দাকে শনাক্ত করা হয়নি বা গ্রেপ্তার ও ৬০ দিনের নিষেধাজ্ঞার পেছনের প্রমাণ নিয়ে পুলিশের বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
জলপাই সংগ্রহের মৌসুমে উত্তেজনা
জলপাই সংগ্রহের সময়ের ঘটনা ইসরায়েলি সম্প্রদায়, কর্মী ও আরব বাসিন্দাদের মধ্যে সহিংসতার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তৈরি করতে পারে। এ ঘটনা দেখায়, কী ঘটেছিল তা প্রতিষ্ঠার বিকল্প হতে পারে না “সেটলার সহিংসতা” তকমা। উদ্ধৃত সংবাদ গ্রেপ্তার নিশ্চিত করে এবং ফুটেজের বিবরণ দেয়, কিন্তু কারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ও সংঘর্ষের প্রকৃতি নিয়ে বর্ণনা ভিন্ন।
IDF-এর প্রতিক্রিয়ার উল্লেখ নেই। উপলভ্য প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, পুলিশ দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে এবং সিচুয়েশন রুমের মতে তাঁদের ৬০ দিনের জন্য ইহুদিয়া ও সামারিয়ায় প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার ভিত্তি ও আইনি শর্ত বিস্তারিত বলা হয়নি।
পুলিশের পরবর্তী অনুসন্ধান বা পূর্ণাঙ্গ ভিডিও পরস্পরবিরোধী দাবিগুলো পরিষ্কার করতে পারে। ততক্ষণ সরবরাহ করা সূত্রগুলোতে হামলার অভিযোগ বিতর্কিতই থাকছে।