JNS-এর ব্রেকিং নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি সোমবার জানিয়েছেন যে, সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রিয়াদ অঞ্চলে দুটি ড্রোন প্রতিহত করেছে। আল-মালিকি আরও জানান, ইয়েমেনের হুথি সন্ত্রাসী সংগঠনের পক্ষ থেকে দেশটির দক্ষিণাঞ্চল লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও সৌদি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিহত করেছে।
“আল-মালিকি জানান, সোমবার ইয়েমেনের হুথি সন্ত্রাসী সংগঠনের পক্ষ থেকে দেশটির দক্ষিণাঞ্চল লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিহত করেছে।”
একই দিনে রাজধানীর আকাশসীমা ও দক্ষিণ সীমান্তে হামলা
ড্রোন দুটি ছিল রিয়াদ অঞ্চলের আকাশে—যা দেশটির রাজধানী এলাকা। আর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটির লক্ষ্য ছিল দক্ষিণাঞ্চল, অর্থাৎ ইয়েমেনের মুখোমুখি সৌদি সীমান্ত বলয়। ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত জোটের পক্ষ থেকে কথা বলেন আল-মালিকি। তাঁর এই বিবৃতিটি সফলভাবে প্রতিহত করার একটি খতিয়ান: তিনটি আকাশযান বা অস্ত্র, দুটি ভিন্ন অঞ্চল, যার সবগুলোই ঠেকিয়ে দেওয়া হয়েছে। জোটের আরবি অ্যাকাউন্টে জানানো হয়েছে যে, রিয়াদ অঞ্চলে দুটি ড্রোন প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে।
ইরান সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবের অভ্যন্তরে আঘাত হানতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে আসছে। দক্ষিণাঞ্চলে ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এমন এক শ্রেণির অস্ত্র যা শহর ও সামরিক ঘাঁটি ধ্বংসের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়, এটি নিছক কোনো সীমান্ত পর্যবেক্ষণ নয়। অন্যদিকে রিয়াদের ওপর ড্রোন ওড়ানো মানে সরাসরি রাজনৈতিক কেন্দ্রস্থলে আঘাত হানার অপচেষ্টা। আল-মালিকির ঘোষণা অনুযায়ী, একই সোমবারে সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুটি হামলাই রুখে দিয়েছে।
এই প্রতিবেদনটি কেবল হামলা প্রতিহত করার বিষয়ে, কোনো স্থল অভিযানের নয়। মুখপাত্র হিসেবে আল-মালিকি জানান, রিয়াদে দুটি ড্রোন এবং দক্ষিণাঞ্চলের দিকে ধেয়ে আসা হুথিদের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র—যার সবই সৌদি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংসের দাবি করা হয়েছে। জোটের এই আনুষ্ঠানিক বিবৃতিটি জেএনএস প্রকাশ করেছে।