টেম্পল মাউন্ট ইসরায়েলের নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের অধীনে, আর জর্ডানের ওয়াক্ফ মুসলিম ধর্মীয় বিষয় ও ইসলামী পবিত্র ভবনগুলো পরিচালনা করে। ইসরায়েলের ঘোষিত স্থিতাবস্থা নীতি অমুসলিম দর্শনার্থীদের প্রবেশের অনুমতি দেয়, কিন্তু প্রাঙ্গণে অমুসলিমদের উপাসনা নিষিদ্ধ করে; মুসলিমরা সেখানে নামাজ পড়েন। কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিস নীতিটি ও এর ঐতিহাসিক ভিত্তি ব্যাখ্যা করেছে এবং উল্লেখ করেছে যে “স্থিতাবস্থা” বলতে একটিমাত্র বিস্তারিত লিখিত চুক্তি নয়, বরং কিছু প্রচলিত রীতির সমষ্টি বোঝায়।
ব্যবস্থাটি কীভাবে গড়ে উঠেছে
১৯৬৭ সালের আগে স্থানটি জর্ডানের ওয়াক্ফ পরিচালনা করত। ছয় দিনের যুদ্ধের সময় ইসরায়েল পুরাতন শহরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোশে দায়ান ওয়াক্ফকে অভ্যন্তরীণ ধর্মীয় প্রশাসন চালিয়ে যেতে দেন এবং ডোম অব দ্য রক থেকে ইসরায়েলি পতাকা সরিয়ে নেন। ইসরায়েলি পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব ধরে রাখে। বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও চর্চার মধ্য দিয়ে ব্যবস্থাটি গড়ে ওঠে; প্রতিটি কর্তৃপক্ষের সব ক্ষমতা নির্ধারণ করে এমন একক কোনো আনুষ্ঠানিক দলিল দিয়ে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
১৯৯৪ সালের ইসরায়েল-জর্ডান শান্তিচুক্তিতেও জর্ডানের ভূমিকার প্রতিফলন রয়েছে; এতে জেরুজালেমের মুসলিম পবিত্র স্থানগুলোতে জর্ডানের “বিশেষ ভূমিকা” স্বীকৃত হয়েছে। সিআরএস প্রতিবেদন ব্যাখ্যা করে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ একটি ফটক দিয়ে অমুসলিমদের প্রবেশ তদারক করে, আর মুসলিম দর্শনার্থীদের জন্য অন্য ফটকগুলো ওয়াক্ফ পরিচালনা করে। এই বিভাজনের ব্যবহারিক দিক রয়েছে, আর বিস্তারিত বিষয়গুলো নিয়ে মতবিরোধও আছে: স্থানটিতে প্রবেশ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং পুলিশের কার্যক্রম—সবই বিরোধের বিষয় হয়েছে।
বাস্তবে প্রবেশ ও প্রার্থনা
ইসরায়েলি নীতি প্রবেশাধিকার ও উপাসনার মধ্যে পার্থক্য করে। নির্ধারিত সময়ে অমুসলিমরা পরিদর্শনে যেতে পারেন, তবে তা নিরাপত্তা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ও সাময়িক বিধিনিষেধের অধীন। পররাষ্ট্র দপ্তরের ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রতিবেদন নথিবদ্ধ করেছে যে কিছু ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ বয়স, লিঙ্গ, ধর্ম বা নিরাপত্তা উদ্বেগের ভিত্তিতে মুসলিম ও ইহুদিদের প্রবেশ সীমিত করেছে। তাই তারিখ ও পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিদর্শনের ব্যবস্থা ভিন্ন হতে পারে; ভ্রমণকারীদের বর্তমান সরকারি নির্দেশনা দেখে নেওয়া উচিত।
আনুষ্ঠানিক নীতি ও ঘটনাস্থলের বাস্তবতা এক নয়। ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কখনো কখনো ইহুদি দর্শনার্থীরা সেখানে প্রার্থনা করেছেন বা ধর্মীয় আচার পালন করেছেন, আর পুলিশি প্রয়োগও ভিন্ন হয়েছে। সরকারের ঘোষিত নীতি অনুযায়ী প্রাঙ্গণে ইসলামী নয় এমন উপাসনা অনুমোদিত নয়। মাউন্টের নিচে পশ্চিম দেয়ালের চত্বরে ইহুদি উপাসনার অনুমতি রয়েছে। “আল-আকসা” বলতে কী বোঝানো হতে পারে এবং প্রাঙ্গণের ভেতরে কোন ভবনগুলো রয়েছে তা জানুন।