ইসরায়েলের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো যখন মনে করে যে সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা অস্ত্র এমন হুমকি তৈরি করছে, যা শুধু ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়, তখন ইসরায়েল A এলাকায় অভিযান চালায়। অসলো II চুক্তিতে A এলাকায় আরবদের জন্য জনশৃঙ্খলা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছিল; তবে চুক্তিতে ইসরায়েলের অব্যাহত নিরাপত্তা-দায়িত্ব এবং যৌথ সমন্বয়ব্যবস্থাও নির্ধারণ করা হয়। সন্ত্রাসবিরোধী তৎপরতা সম্পর্কে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিবরণ।
চুক্তিতে কী বলা হয়েছে
১৯৯৫ সালের অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিতে যৌথ ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা কমিটি ও সমন্বয় চ্যানেল গঠন করা হয়; বিস্তারিত রয়েছে এর নিরাপত্তা-সংক্রান্ত সংযুক্তিগুলোতে। এই ব্যবস্থায় ইসরায়েলি নাগরিকদের নিরাপত্তার দায়িত্ব ইসরায়েলের ওপর থেকে সরেনি, কিংবা হুমকির জবাব দেওয়ার একমাত্র পক্ষ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ হয়ে যায়নি। এখতিয়ার ও সমন্বয়ের কাঠামোর প্রাথমিক সূত্র হলো চুক্তির পাঠ।
অভিযান কেন চালানো হয়
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের বর্ণনায়, অভিযান চালানো হয় পরোয়ানাভুক্ত সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার, অস্ত্র জব্দ এবং হামলা ঠেকানোর জন্য। ২০২৪ সালের আগস্টে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, জেনিন ও নূর শামস এলাকায় বাহিনী রাস্তার পাশের বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করে এবং তুলকারমে আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ করে। ইসরায়েলি বাহিনী বলেছে, অভিযানের লক্ষ্য ছিল রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা বিস্ফোরক ও আগ্নেয়াস্ত্র।
সমন্বয় ও একতরফা পদক্ষেপ পাশাপাশি চলতে পারে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বাহিনী ও ইসরায়েলি সংস্থাগুলো নিরাপত্তাবিষয়ক যোগাযোগ বজায় রেখেছে, যদিও রাজনৈতিক সংকট ও সশস্ত্র তৎপরতা সহযোগিতার ওপর চাপ সৃষ্টি করে। ২০২৪ সালের আগস্টের অভিযানবিষয়ক প্রতিবেদন একটি নির্দিষ্ট সময়ের উদাহরণ। এখতিয়ারের কাঠামো জানতে দেখুন A, B ও C এলাকা; সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর জন্য দেখুন উত্তরের সশস্ত্র গোষ্ঠীবিষয়ক পাতা।