জুদেয়া ও সামারিয়ার উত্তরে সশস্ত্র তৎপরতায় হামাস ও ইসলামিক জিহাদের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় নামে পরিচিত গোষ্ঠীও জড়িত; এর মধ্যে জেনিন ব্যাটালিয়ন ও নাবলুসের লায়নস ডেন রয়েছে। এসব নাম থেকে একক, সমন্বিত নেতৃত্বের ধারণা পাওয়া যায় না। সদস্যপদ, জোট এবং অভিযানের নিয়ন্ত্রণ স্থান ও সময়ভেদে বদলাতে পারে। জেনিনে ২০২৫ সালের জানুয়ারির অভিযানবিষয়ক প্রতিবেদন।
নথিভুক্ত অভিযান থেকে কী জানা যায়
২০২৪ সালের আগস্টে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, নূর শামসে কর্মরত বাহিনী রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা বিস্ফোরক খুঁজে ধ্বংস করে এবং তুলকারমে একটি গাড়ি থেকে এম১৬ রাইফেল ও অন্যান্য অস্ত্র জব্দ করে। অভিযান সম্পর্কে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিবরণে নূর শামসে সন্ত্রাসী সংগঠনের প্রধান হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ জাবার—যিনি আবু শুজা নামে পরিচিত—এর কথাও বলা হয়েছে। এগুলো সরকারি অভিযানের প্রতিবেদন, সেভাবেই পড়া উচিত।
ইসরায়েলি বাহিনী জেনিন ও নাবলুসে অভিযান এবং গ্রেপ্তারের কথাও জানিয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, জেনিনে এক অভিযানে কয়েক ডজন অস্ত্র ও বিস্ফোরক পাওয়া গেছে। এ ধরনের বিবৃতি সশস্ত্র তৎপরতার নির্দিষ্ট সময়ের উদাহরণ দেয়; তবে এগুলো থেকে স্বতন্ত্রভাবে প্রমাণ হয় না যে প্রতিটি শিবির বা বেসামরিক প্রতিষ্ঠান কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে।
স্থানীয় নেটওয়ার্ক ও বাইরের সহায়তা
হামাস ও ইসলামিক জিহাদ এসব শহরের বাইরেও নেটওয়ার্ক থাকা সংগঠিত গোষ্ঠী; স্থানীয় নামে পরিচিত গোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন পটভূমির মানুষকে নিয়োগ করতে পারে। কোনো অস্ত্র জব্দ বা গ্রেপ্তারের প্রকাশ্য প্রমাণ একাই সরাসরি বিদেশি নেতৃত্ব প্রমাণ করে না। ইরানি অর্থায়ন বা অস্ত্র স্থানান্তরের দাবি নির্দিষ্ট তদন্ত, জব্দের ঘটনা বা সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত হওয়া উচিত। দেখুন অস্ত্র ও ইরানি সহায়তা-সংক্রান্ত প্রমাণ এবং ইসরায়েলি অভিযান।